ICT

Spread the page link








<CLASS LECTURE>


♦CHAPTER–ONE♦


তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত


## বিশ্বগ্রামের ধারণা (Concept of Global Village) :
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় অবদান হচ্ছে বিশ্বগ্রাম ব্যবস্থা। মার্শাল ম্যাকলুহান সর্বপ্রথম বিশ্বগ্রামের ধারণা দেন। সারা পৃথিবী , মানুষের হাতের নাগলের মাঝে থাকবে। হাজার হাজার মাইলের দূরত্ব বলতে কিছু থাকবে না। পরস্পর যুক্ত থাকা, তথ্য আদান-প্রদান ছাড়াও শিক্ষা, শিল্প, বাণিজ্য, বিনোদন সর্বত্রই ডিজিটাল যন্ত্রের পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। নতুন পেশার উদ্ভব হবে, নতুন জ্ঞানের বিস্তার হবে, নতুন প্রজন্ম বেড়ে উঠবে। প্রচলিত ধ্যান-ধারনা ভেঙ্গে পড়বে। সামাজিক সম্পর্ক, এমন কি রাষ্ট্র, সরকার, প্রশাসন পরিবর্তিত হবে। সকল ক্ষেত্রেই মানুষের জ্ঞানের যে পরিধি তা বিস্তৃত হবে। ফলে মানুষ নতুন ধ্যান-ধারণা থেকে ব্যক্তি স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার, রাষ্ট্র সরকার বা ব্যক্তির দায়িত্ব ও কর্তব্য এমন কি পারিবারিক সম্পর্ক নতুন করে সংজ্ঞায়িত করবে। মানব সভ্যতার আর কোনো যুগে এত পরিবর্তন আর কোনোদিন হয়নি যা তথ্য যুগে হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে।
বিশ্বগ্রামের সংজ্ঞা ঃ মার্শাল ম্যাকলুহান এর মতে “ইলেকট্রনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্ব একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে এবং বিশ্বের যে কোন প্রান্তের সাথে অতি সহজেই যোগাযোগ করা সম্ভব”।

** বিশ্বায়নের সুবিধাসমূহ —
১। সহজে দারিদ্র্য দূরীকরণ করা যায়।
২। ব্যবসা- বাণিজ্যের বাজার সম্প্রসারণ করা যায়।
৩। শ্রমের অবাধ গতিশীলতা আনয়ন করা যায়।
৪। সহজে শিক্ষা ও জ্ঞানের বিকাশ বৃদ্ধি করা যায়।
৫। দ্রুত প্রযুুক্তির বিকাশ সাধন করা যায়।
৬। একচেটিয়া বাজারের অবসান করা যায়।
৭। আন্তর্জাতিক সম্পীতির বন্ধন মজবুত করা যায়।

** তথ্য প্রযুক্তি —
তথ্য প্রযুক্তি বলতে তথ্য সংগ্রহ , প্রক্রিয়াকরণ এবং বিতরণের জন্য ব্যবহৃত ব্যবস্থাকে বুঝায়।
অর্থাৎ তথ্য সংগ্রহ , সংরক্ষণ ,প্রক্রিয়াকরণ , আধুনিকীকরণ রক্ষণাবেক্ষণ , সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং বিতরণের জন্য যে প্রক্রিয়া এবং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, তাদের সমন্বয়কে বলা হয় তথ্য প্রযুক্তি।

** তথ্য প্রযুক্তির উপাদানসমূহ–
ক) কম্পিউটার এবং কম্পিউটার সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতিসমূহ
খ) সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম সমূহ
গ) হিউম্যানওয়্যার বা কম্পিউটার ব্যবহারকারীগণ
ঘ) ডাটা বা ইনফরমেশন
ঙ) যোগাযোগের মাধ্যমে বা নেটওয়ার্ক মাধ্যমে
চ) কার্যপদ্ধতি বা প্রসিডিউর ইত্যাদি ।

** তথ্য প্রযুক্তির অবদানগুলো বা বৈশিষ্ট্যগুলো–
১) সময়ের সাথে কাজের খরচ কমতে থাকে ।
২) কাজের পরিমান ক্রনান্বয়ে বাড়তে থাকে ।
৩) শিক্ষণ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকান্ডের গতিকে তরান্বিত করে।
৪) ব্যবসা- বাণিজ্যে লাভজনক প্রক্রিয়া সৃষ্টি করে।
৫) মনুষ্য শক্তির বৃথা অপচয় ঘটে না।
৬) এতে খরচ কমে যায়।
৭) এতে সময় বাঁচে।
৮) তাৎক্ষণিক যোগাযোগ সম্ভব।
৯০ ব্যয় সংকোচন হয়।
১০) দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
১১) সহজে তথ্য পাওয়া যায়।

** যোগাযোগ প্রযুক্তি বা কমিউনিকেশন টেকনোলজি কি ?

যেই প্রযুক্তির সাহায্যে তথ্য বা উপাত্ত বা বার্তা এক স্থান থেকে প্রেরণ ও গ্রহণ কাজটি সম্পন্ন করা যায় তাকে ( সেই প্রযুক্তিকে) যোগাযোগ প্রযুক্তি বা কমিউনিকেশন টেকনোলজি বলা হয়।

** যোগাযোগ প্রযুক্তির মৌলিক বিষয়সমূহ কি কি ?

যোগাযোগ প্রযুক্তির মৌলিক বিষয়সমূহ হচ্ছে –
ক) কম্পিউটার
খ) ডিজিটাল টেলিফোন
গ) মোবাইল ফোন
ঘ) সেটেলাইট
ঙ) রেডিও
চ) ইন্টারনেট
ছ) ই-মেইল ইত্যাদি

** যোগাযোগের মৌলিক বিষয়সমূহ —
ক) কম্পিউটার
খ) টেলিফোন
গ) মোডেম
ঘ) সেলুলার ফোন
ঙ) সেটেলাইট
চ) রেডিও ওয়েভ
ছ) ইন্টারনেট
জ) ই-মেইল ইত্যাদি

** ইলেক্ট্রনিক মেইল বা ই-মেইল —
Electronic mail শব্দটির সংক্ষিপ্ত রুপ হচ্ছে ই-মেইল। যে পদ্ধতির মাধ্যমে অতি সহজে এবং দ্রুত সংবাদ বা খবর প্রেরণ করা যায় তাকে ইলেক্ট্রনিক মেইল বলে। ইলেক্ট্রনিক মেইলকে সংক্ষেপে ই-মেইল বলা হয়। ইন্টারেনেটে তথ্যের আদান-প্রদান করার জন্য ই-মেইল ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে স্বল্পব্যয়ী এবং দ্রুততম ইলেকট্রনিক যোগাযোগ মাধ্যম।

** টেলিকনফারেন্সিং —
প্রচলিত অর্থে টেলি কনফারেন্সিং মানে হল টেলিফোন ব্যবস্থায় দুই এর বেশী লোকের সংলাপ। একই অফিসের শাখা অফিস ভিন্ন ভিন্ন শহরে থাকে। তাদের মধ্যে সবসময় যোগাযোগ রক্ষা করার দরকার। টেলিযোগাযোগের মাধ্যমে এই ধরনের যোগাযোগ রক্ষা করাকে টেলি কনফারেন্সিং বলে।

অর্থাৎ কম্পিউটার ব্যবহার করে টেলিকমিউনিকেশন ব্যবস্থার সাহায্যে দুই বা ততোধিক ব্যক্তির তথ্য আদান-প্রদানকে টেলিকনফারেন্সিং বলা হয়।

** ভিডিও কনফারেন্সিং —
যে ব্যবস্থার মাধ্যমে টেলিভিশনের পর্দায় বিভিন্ন অংশগ্রহনকারী পরস্পরের সম্মুখীন হন এবং কথোপকথনে অংশগ্রহন করেন সেই ব্যবস্থাকে ভিডিও-কনফারেন্সিং বলা হয়। এটি একটি ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থা।

** ভার্চুয়াল রিয়েলিটি–
যে প্রযুক্তি ত্রিমাত্রিক বিশ্ব সৃষ্টি করে কৃত্রিমভাবে কোন ঘটনা বা কল্পনাকে জীবন্ত করে দৃষ্টিগ্রাহ্য করে তোলে তাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।

** প্রাত্যহিক জীবনে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব–

নি¤েœ ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব উল্লেখ করা হলো-

১। এটি দ্বারা শিক্ষানবীশ ডাক্তারগন সহজে ও সুবিধাজনক উপায়ে বাস্তবে অপারেশন থিয়েটারে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে।
২। এটি দ্বারা বন্দরের কন্টেইনার উঠা-নামার কাজ সহজে সম্পন্ন করার অভিজ্ঞতা লাভ করা যায়।
৩। এটি দ্বারা হাই রাইজিং বিল্ডিং তৈরি করার অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়।
৪। আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের ভায়োলেন্স দূরীকরণের কাজে ব্যবহার যায়।
৫। এটি দ্বারা শিক্ষকদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে ভার্চুয়াল সেতুবন্ধন তৈরি করে শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন করা যায়।
৬। এটি দ্বারা স্বল্প খরচে ও স্বল্প সময়ে বিমান চালকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা যায়।
৭। মহাশূন্যে খেয়াযান পরিচালনা সম্পর্কিত যাবতীয় খুঁটিনাটি বিষয়গুলো সম্পর্কিত জ্ঞান অর্জন করা যায়।
৮। এটি দ্বারা চন্দ্র বিজয়ের স্মরণীয় মুহূর্তে নীল আর্ম স্ট্রং-এর সেই গর্বিত উচ্চারণ “ঙহব ঝসধষষ ংঃবঢ়……… ইত্যাদি অবিকল তাঁর কণ্ঠেই শোনা যায়।
৯। এটি দ্বারা হিলারী-তেনজিং কর্তৃক মাউন্ট এভারেস্ট জয়ের সেই মুহূর্তকে জীবন্ত করে দেখা যায়।

** আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স —

মানুষ যেভাবে চিন্তা ভাবনা করে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান দেওয়াকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়।

** কৃত্রিম জ্ঞান (বুদ্ধি) প্রযুক্তি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার —
নি¤েœ কৃত্রিম জ্ঞান প্রযুক্তির ব্যবহার উল্লেখ করা হলো-
১। স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
২। যেখানে অধিক তাপ, অধিক ঠান্ডা এবং মানুষের পক্ষে কাজ করা দূরূহ সেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজে ব্যবসায়িক কার্য সম্পাদন করা যায়।
৩। নানারকম বিপজ্জনক ও পরিশ্রমসাধ্য কাজ যেমনঃ ওয়েল্ডিং, ঢালাই, ভারী মাল ওঠানো বা নামানো, যন্ত্র সংযোজন ইত্যাদি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয্ুিক্ত ব্যবহার করে করা যায়।
৪। অনেক বড়,কঠিন ও জটিল কাজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে করা যায়।
৫। ক্ষতিকর বি¯েফারক শনাক্ত করা ও তা নিষ্কিয় করার কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করা যায়।









♦CHAPTER–TWO♦


কমিউনিকেশন সিস্টেমস ও নেটওয়ার্কিং

দ্বিতীয় অধ্যায়
কমিউনিকেশন সিস্টেমস ও নেটওয়ার্কিং
Lecture-01 and 02(Communication system and Bandwidth)


## কমিউনিকেশন সিন্টেম (পদ্ধতি) বা যোগযোগ পদ্ধতি (Communication systems)কি?

যে পদ্ধতিতে তথ্য বা ডাটা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত করা হয় তাকে কমিউনিকেশন সিস্টেম বা যোগযোগ পদ্ধতি বলে।
আর এই পদ্ধতির কাজে ব্যবহ্রত মাধ্যমগুলো হচ্ছে- হার্ডওয়ার, সফ্টওয়ার, টেলিফোন লাইন, মাইক্রোওয়েব, ফাইবার অপটিক ক্যাবল, নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা ইত্যাদি।

## কমিউনিকেশন সিস্টেমের ধারনা ঃ

কমিউনিকেশন শব্দের অর্থ হচ্ছে যোগযোগ। অর্থাৎ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যে কোন ধরনের ডাটা বা তথ্য, যে কোন মাধ্যমে স্থানান্তর করা।
আর কমিউনিকেশন সিস্টেম হচ্ছে তথ্য স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত কলাকৌশল। বিভিন্ন ধরনের কমিউনিকেশন সিস্টেমের মধ্যে ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেম, ভয়েস কমিউনিকেশন সিস্টেম, মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেম, রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেম হচ্ছে কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক সম্পর্কিত বিভিন্ন উপাদানের সমন্বিত ব্যবস্থা।

এক স্থান থেকে অন্য দূরবর্তী স্থানে ডাটা বা বার্তা প্রেরণ এবং অন্য স্থান থেকে আগত ডাটা বা বার্তা গ্রহণ করার প্রক্রিয়াই ডাটা কমিউনিকেশন হিসাবে অভিহিত।

## ডাটা কমিউনিকেশন কি বা কম্পিউটার কমিউনিকেশন কি ?

যে প্রক্রিয়ার তথ্য বা ডাটা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে বা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তরিত করা হয় তাকে ডাটা কমিউনিকেশন বলে।

অর্থাৎ তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণের প্রক্রিয়ায়কে বলা হয় ডাটা কমিউনিকেশন ।…….For more click below…….

Lecture–01 and 02:Communication systems and bandwidth


দ্বিতীয় অধ্যায়
কমিউনিকেশন সিস্টেমস ও নেটওয়ার্কিং
Lecture-02(Data transmission mode)

** ডাটা আদান-প্রদানের বিভিন্ন মোডের বা প্রথার বর্ণনা

Data transmission mode বলতে কোন দিক থেকে কোন দিকে data আদান বা প্রদান করা হচ্ছে তাকে বোঝায়।

data আদান প্রদান এর উপর ভিত্তি করে Data transmission mode কে ৩ ভাগে ভাগ করা যায় ঃ

1.Simplex mode: এই পদ্ধতিতে শুধু একদিক থেকে data প্রেরণ করা যায় এবং অপর প্রান্তে শুধুমাত্র data গ্রহণ করে।
যেমন –Tv,Radio

2.Half duplex mode: এই পদ্ধতিতে একদিক থেকে data প্রেরণ শেষ হলে অপরপ্রান্ত হতে data প্রেরন করা যায়।
যেমনঃ Fax,Walkietalkie.

3.Full duplex mode: এই পদ্ধতিতে উভয় প্রান্ত হতে একই সময়ে data আদান প্রদান করা যায়।
যেমনঃ Mobile phone,Computer

আবার প্রাপকের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে Data transmission mode কে ৩ ভাগে ভাগ করা যায় ঃ-


1.Unicast:- এই পদ্ধতিতে একজন মাত্র প্রেরক এবং একজন মাত্র গ্রাহক থাকে, শুধুমাত্র প্রেরক প্রেরন করতে পারে এবং গ্রাহক data গ্রহণ করতে পারে।
যেমন : Fax

2.Broadcast:- এই পদ্ধতিতে প্রেরক থাকে মাত্র একজন আর গ্রাহকের সংখ্যা অনেক। Network এর আওতায় অবস্থিত সকল গ্রাহক শুধুমাএ data গ্রহন করতে পারে। যেমনঃ-Radio,TV.

3.Multicast:- এই পদ্ধতিতে প্রেরক একজন হলেও গ্রাহক সংখ্যা একাধিক এবং নিয়ন্ত্রিত।
যেমন:Walkie Talkie,Dish antina.


** ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম–

যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বা পদ্ধতিতে কোন ধরনের তার বা ক্যাবল ব্যবহার করা হয় না সেই পদ্ধতিকে ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম বলে।

** স্থানভেদে ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের প্রকারভেদ–

স্থানভেদে ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা ঃ

১। ওয়্যারলেস প্যান (WPAN)
২। ওয়্যারলেস ল্যান (WLAN)
৩। ওয়্যারলেস ম্যান (WMAN)
৪। ওয়্যারলেস ওয়ান (WWAN)

১। ওয়্যারলেস প্যান (WPAN): অল্প দূরতের মধ্যে তথ্য আদান- প্রদানের জন্য যে তারবিহীন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তাকে ওয়্যারলেস প্যান বলে।
২। ওয়্যারলেস ল্যান (WLAN): একটি নির্দিষ্ট এরিয়া বা একই বিল্ডিং-র মধ্যে তথ্য আদান প্রদানের জন্য যে তারবিহীন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তাকে ওয়্যারলেস ল্যান বলে।
৩। ওয়্যারলেস ম্যান (WMAN): মেট্রোপলিটন এরিয়ার মধ্যে তথ্য আদান- প্রদানের জন্য যে তারবিহীন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তাকে ওয়্যারলেস ম্যান বলে।
৪। ওয়্যারলেস ওয়ান (WWAN): বিশাল ভৌগোলিক (সারা দেশে বা বিশ্বব্যাপি) এরিয়ার মধ্যে তথ্য আদান- প্রদানের জন্য যে তারবিহীন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তাকে ওয়্যারলেস ওয়ান বলে।

** ডাটা কমিউনিকেশনের মাধ্যম–

নি¤েœ ডাটা কমিউনিকেশনের মাধ্যমগুলো উল্লেখ করা হল-

(ক) ক্যাবল বা তার
(খ) সাধারণ টেলিফোন লাইন,
(গ) রেডিও ওয়েভ বা বেতার তরঙ্গ
(ঘ) মাইক্রোওয়েড
(ঙ) ভূ-উপগ্রহ ব্যবস্থা ইত্যাদি

…….For more click below…….

Lecture–03:Data transmission mode


Lecture–04:Data transmission method


Lecture–05:Computer networking


Lecture–06:Network Topology









♦CHAPTER–THREE♦


সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস


দশমিকযুক্ত ডেসিমাল সংখ্যাকে বাইনারী সংখ্যায় রুপান্তর করার নিয়ম : প্রথমে দশমিকের আগের অংশকে ২ দ্বারা ভাগ করতে হবে । ভাগ করে ভাগফল এবং ভাগশেষ আলাদা করতে হবে। ভাগফলটিকে আবার ২ দ্বারা ভাগ করতে হবে , ভাগ করে ভাগফল এবং ভাগশেষ আলাদা করতে হবে। এইভাবে যতক্ষণ পর্যন্ত ভাগফল শূন্য না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত ভাগফলটিকে ২ দ্বারা ভাগ করতে হবে , ভাগ করে ভাগফল এবং ভাগশেষ আলাদা করতে হবে ।
তারপর দশমিকের পরের অংশটিকে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে । প্রাপ্ত গুণফলের দশমিকের পরের অংশকে আবার ২ দ্বারা গুণ করতে হবে ।এইভাবে যতক্ষণ পর্যন্ত দশমিকের পরে সব শূণ্য না আসে ততক্ষণ পর্যন্ত দশমিকের পরের অংশটিকে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে । কিন্তু যদি এমন মনে হয় যে দশমিকের পরে সব শূণ্য আসবেনা তাহলে ৪ বার পর্যনÍ দশমিকের পরের অংশটিকে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে ।…..For more click below……

Lecture–07: Lecture –07,Chapter–03

Lecture–06: Lecture –06,Chapter–03

Lecture–05: Lecture –05,Chapter–03

Lecture–04: Lecture –04,Chapter–03

Lecture–03: Lecture –03,Chapter–03

ডেসিমাল সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রুপান্তর করার নিয়ম : প্রথমে দশমিক সংখ্যাটিকে ৮ দ্বারা ভাগ করতে হবে । ভাগ করে ভাগফল এবং ভাগশেষ আলাদা করতে হবে। ভাগফলটিকে আবার ৮ দ্বারা ভাগ করতে হবে , ভাগ করে ভাগফল এবং ভাগশেষ আলাদা করতে হবে। এইভাবে যতক্ষণ পর্যন্ত ভাগফল শূন্য না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত ভাগফলটিকে ৮ দ্বারা ভাগ করতে হবে , ভাগ করে ভাগফল এবং ভাগশেষ আলাদা করতে হবে ।…….For more click below…….

Lecture–02: Lecture –02,Chapter–03

Lecture–01: Lecture –01,Chapter–03










পঞ্চম অধ্যায়

প্রোগ্রামিং ভাষা

Lecture-01


প্রোগ্রাম ঃ কম্পিউটারের সাহায্যে কোনো সমস্যা সমাধান করার জন্য একটি কর্মসূচীর প্রয়োজন। সেই কর্মসূচীর নাম হচ্ছে প্রোগ্রাম। এক বা একাধিক নির্দেশের সমষ্টিকে প্রোগ্রাম বলে।
প্রোগ্রামিং ঃ প্রোগ্রাম রচনার কৌশলকে বলা হয় প্রোগ্রামিং।
প্রোগ্রামিং ভাষা ঃ যে ভাষা ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লিখা হয়, তাকে প্রোগ্রামিং ভাষা বলে।
আদর্শ প্রোগ্রাম ঃ যে প্রোগ্রামে কম্পিউটার প্রোগ্রামের যাবতীয় গুনাবলি বিদ্যমান থাকে, সে প্রোগ্রামকে আদর্শ প্রোগ্রাম বলে।
আদর্শ প্রোগ্রামের ৪টি বৈশিষ্ট্য নি¤œরূপ ঃ
১। প্রোগ্রামটি নির্ভুল।
২। যতটা সম্ভব সরল ও সংক্ষিপ্ত।
৩। যুক্তিপূর্ণ বিন্যাস।
৪। সহজে প্রোগ্রামটি পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও ভুল সংশোধন করা যায়।

ক্স বিভিন্ন স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা ঃ
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা ঃ (১৯৪৫-১৯৪৯) ঃ
কম্পিটারের নিজস্ব ভাষা হচ্ছে মেশিন ভাষা। এটি কম্পিউটারের নি¤œস্তরের ভাষা। ০ এবং ১ দ্বারা এই ভাষা গঠিত বলে একে বাইনারী ভাষা বলে। ০ এবং ১ দিয়ে তৈরি ভাষাকে যান্ত্রিক ভাষা বলে। কম্পিউটার কেবলমাত্র যান্ত্রিক ভাষা বুঝতে পারে। তাই অন্য ভাষার লেখা প্রোগ্রামকে অনুবাদক প্রোগ্রামের মাধ্যমে যন্ত্র ভাষায় পরিনত করে নিতে হয় এবং পরে কার্যে পরিনত করতে হয়।
ক্স যান্ত্রিক ভাষার সুবিধা ঃ
১। সংক্ষিপ্ত আকারে প্রোগ্রাম লিখা যায়।
২। প্রোগ্রাম নির্বাহে সময় কম লাগে।
৩। অনুবাদকের দরকার হয় না।
৪। অল্প মেমোরি প্রয়োজন হয়।
ক্স যান্ত্রিক ভাষার অসুবিধা ঃ
১। সকল computer এর যান্ত্রিক ভাষা এক রকম নয়।
২। শুধুমাত্র ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয় বলে প্রোগ্রাম লিখা কষ্টসাধ্য।
৩। ভুল বের করা এবং সংশোধন করা কঠিন।
৪। এক মেশিনে লিখা প্রোগ্রাম আরেক মেশিনে রান করা যায় না।
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা ঃ ( ১৯৫০-১৯৫৯) ঃ
দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষার নাম Assembly ভাষা। এই ভাষাকে সাংকেতিক ভাষা বলে। ০ এবং ১ এর পরিবর্তে সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এই ভাষাকে সাংকেতিক ভাষা বলে।
ক্স Assembly ভাষার সুবিধা ঃ
১। যন্ত্র ভাষার তুলনায় সহজেই প্রোগ্রাম লিখা যায়।
২। প্রোগ্রাম তৈরী করতে সময় তুলনামূলক কম লাগে।
৩। ভুল সংশোধন যন্ত্র ভাষার তুলনায় সহজ।
৪। সহজে প্রোগ্রামের পরিবর্তন করা যায়।
ক্স Assembly ভাষার অসুবিধা ঃ
১। এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের সংগঠনের উপর নির্ভরশীল।
২। এক মেশিনের লেখা প্রোগ্রাম অন্য মেশিনে চালানো যায় না।
৩। অনুবাদক প্রোগ্রাম এর দরকার হয়। কারণ কম্পিউটার এই ভাষা সরাসরি বুঝতে পারে না।
৪। মেমোরী অপচয় বেশি হয়।
ক্স Assembly ভাষা এবং মেশিন ভাষার মধ্যে তুলনা ঃ
১। মেশিন ভাষা ০ এবং ১ দিয়ে তৈরী । Assembly ভাষা সাংকেতিক চিহ্ন দিয়ে তৈরী।
২। মেশিন ভাষা বুঝার জন্য Computer এর অনুবাদকের দরকার হয় না। অপরদিকে Assembly ভাষা বুঝার জন্য Computer এর অনুবাদকের দরকার হয়।
৩। মেশিন ভাষায় মেমোরি অপচয় কম হয় । অপরদিকে Assembly ভাষায় মেমোরি অপচয় বেশি হয়।
৪। মেশিন ভাষায় ভুল সংশোধন করা কঠিন । অ্যাসেম্বলি ভাষায় ভুল সংশোধন করা তুলনামুলক সহজ।
৫। মেশিন ভাষায় শুধুমাত্র ০ এবং ১ব্যবহার করা হয় বলে প্রোগ্রাম লিখা কষ্টসাধ্য। অপর পক্ষে Assembly ভাষায় মেশিন ভাষার তুলনায় সহজেই প্রোগ্রাম লিখা যায়।


Lecture-02


৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা ঃ (১৯৬০-১৯৭০) ঃ
তৃতীয় প্রজন্মের ভাষার নাম উচ্চস্তরের ভাষা। সাংকেতিক ভাষা এবং যন্ত্র ভাষায় প্রোগ্রাম লিখা একজন প্রোগ্রামারের পক্ষে রীতিমতো অসুবিধাজনক বিধায় উচ্চস্তরের ভাষায় প্রোগ্রাম লেখার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। উচ্চতর ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম যন্ত্র নির্ভর নয়। মানুষের বোধগম্য বর্ণ, সংখ্যা, বাক্য ব্যবহার করে উচ্চতর ভাষায় প্রোগ্রাম তৈরী করা হয়। ফলে যেকোনো প্রোগ্রামারের পক্ষে এই ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম বুঝতে কষ্ট হয় না। এই ভাষায় অতি সহজে এবং দ্রুত প্রোগ্রাম লিখা যায়। এইজন্য উচ্চতর ভাষা জনপ্রিয়তা লাভ করে।
ক্স উচ্চতর ভাষার সুবিধা ঃ
১। এই ভাষায় প্রোগ্রাম লিখা সহজ এবং লিখতে সময় কম লাগে।
২। ভুল নির্ণয় এবং সংশোধন করা সহজ।
৩। সহজে প্রোগ্রামের যেকোনো অংশ পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করা যায়।
৪। এই ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম যেকোনো কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
৫। মানুষের বোধগম্য হরফ, সংখ্যা, বাক্য ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখা হয় বিধায় এটি সহজে বুঝা যায়।

ক্স উচ্চতর ভাষার অসুবিধা ঃ
১। এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম আকারে অনেক বড়।
২। প্রোগ্রাম নির্বাহ করতে সময় বেশি ব্যায় হয়।
৩। এ ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে পারে না।
৪। এই ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তরের জন্য বিভিন্ন অনুবাদক প্রোগ্রামের দরকার হয়।
৫। বেশি মেমোরির প্রয়োজন হয়।
ক্স বিভিন্ন রকমের উচ্চস্তরের ভাষা ঃ c,c++, c-sharp Visual basic, Php, Java, Script, Oracle, Python etc
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা ঃ (১৯৭১-১৯৭৯)ঃ
১। এটি সংক্ষেপে 4GL নামে পরিচিত।
২। এটি Non-procedural ভাষা।
৩। এই ভাষায় শুধু বলে দিতে হয় কী ফলাফল প্রয়োজন।
৪। কিভাবে কার্য সম্পাদন করতে হবে তা ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন নাই।
৫। এই প্রজন্মের ভাষার জন্য প্রসেসিং ক্ষমতা বেশি দরকার হয়।
৬। 4GL ব্যবহার করে সহজেই Application প্রোগ্রাম তৈরী করা যায় বলে একে Rapid tool বলে।
RAD —- Rapid Action Devolopment
৭। Database কে নিয়ন্ত্রন, পরিচালনা, Query, Reportতৈরী ইত্যাদি কাজের জন্য এই
ভাষা ব্যবহার করা হয়।
৮। এই ভাষার গুনগত মান উন্নত নয়।
৯। এই ভাষা ব্যবহার করে কোনো শক্তিশালী প্রোগ্রাম তৈরী করা যায় না।

* পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা ঃ (১৯৮০- বর্তমান )
এই প্রজন্মে মানুষের ভাষাকে প্রোগ্রামের ভাষা হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এই জন্য বিজ্ঞানীগণ অনবরত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কথোপকথনের রীতিতে কম্পিউটার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে দ্রুত পরস্পরিক সংযোগ সৃষ্টির জন্য এই ভাষা ব্যবহার হবে।


Lecture -03


কাজ ঃ
** উচ্চস্তরের ভাষার গুরুত্ব লিখ ?
** সংকেতিক ভাষা ও উচ্চস্তরের ভাষার মধ্যে তুলনা ঃ-
১। সংকেতিক ভাষা লিখা হয় বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন দিয়ে আর উচ্চস্তরের ভাষা লিখা হয়
মানুষের বোধ্যগম্য হরফ , শব্দ ও বাক্য দিয়ে।
২। সাংকেতিক ভাষায় এক মেশিনের লেখা প্রোগ্রাম আরেক মেশিনে চালানো যায় না। অন্যদিকে উচ্চতর ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম যেকোনো কম্পিউটারে চালানো যায়।
** নি¤œস্তরের ভাষা ও উচ্চস্তরের ভাষার মধ্যে তুলনা ঃ-
১। নি¤œস্তরের ভাষা লিখা হয় ০ এবং ১দিয়ে । আর উচ্চস্তরের ভাষা লিখা হয় মানুষের বোধগম্য হরফ , শব্দ ও বাক্য দিয়ে।
২। নি¤œস্তরের ভাষায় লিখা প্রোগ্রাম বুঝার জন্য ঈড়সঢ়ঁঃবৎ এর অনুবাদকের দরকার হয় না কিন্তু উচ্চস্তরের ভাষায় লিখা প্রোগ্রাম বুঝার জন্য ঈড়সঢ়ঁঃবৎ এর অনুবাদকের প্রয়োজন হয়।
৩। নি¤œস্তরের ভাষায় অল্প মেমোরি প্রয়োজন হয় কিন্তু উচ্চস্তরের ভাষায় বেশি মেমোরি প্রয়োজন হয়।
৪। নি¤œস্তরের ভাষায় এক মেশিনে লেখা প্রোগ্রাম আরেক মেশিনে রান করা যায় না। অপরদিকে উচ্চস্তরের ভাষায় লিখা প্রোগ্রাম যেকোনো কম্পিউটার রান করা যায়।
৫। নি¤œস্তরের ভাষায় লেখা প্রোগ্রামে ভুল সংশোধন করা কঠিন। অন্যদিকে উচ্চস্তরের ভাষায় লেখা প্রোগ্রামে ভুল সংশোধন করা সহজ।

** অনুবাদক প্রোগ্রাম ঃ
যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে অন্য ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে যন্ত্র ভাষায় পরিনত করা হয় তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
যন্ত্র ভাষা ছাড়া অন্য ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে উৎস প্রোগ্রাম বলে। আর যন্ত্র ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রাম বলে।
উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিনত করতে যে সফট্ওয়্যার এর প্রয়োজন তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
** অনুবাদক প্রোগ্রাম ৩ প্রকার। যথা ঃ
1.Assembler .
2.Compiler.
3.Interpreter
.
Assembler : Assembley ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে যন্ত্র ভাষায় রূপান্তরের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন Computer এর Assembler বিভিন্ন প্রকার। Computer Company কম্পিউটার বিক্রি করার সময় এই প্রোগ্রামটি ক্রেতাকে দিয়ে থাকে। Assembler টি সাধারনত ROM স্মৃতিতে রাখা হয়। যার ফলে প্রোগ্রামটি মুছে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। এছাড়া এটি Disk এ ও সঞ্চিত রাখা যায়। যা পরবর্তীতে কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
Assembler এর বৈশিষ্ট্য ঃ
১। এটি ধীর গতি সম্পন্ন হয় অনুবাদক প্রোগ্রাম ।
২। প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য বেশি সময়ের প্রয়োজন হয়।
৩। ভিন্ন ভিন্ন Assembler ভিন্ন ভিন্ন ভাষাকে অনুবাদ করতে পারে।
৪। Assembler প্রোগ্রামটি আকারে ছোট হয়।
৫। Assembler সম্পূর্ন প্রোগ্রামকে একসাথে পড়তে পারে না।
৬। Assembler সব ভুল একসাথে দেখায় না।
৭। একসাথে সকল নির্দেশকে যন্ত্র ভাষায় রূপান্তর করতে পারে না।
Assembler এর কাজ ঃ
১। প্রত্যেকটি নির্দেশ ভুল কি শুদ্ধ তা পরীক্ষা করে ফলাফল প্রকাশ করা।
২। সংকেতিক চিহ্নকে যন্ত্র ভাষায় রূপান্তর করা।
৩। প্রত্যেকটি নির্দেশ প্রধান স্মৃতিতে সংরক্ষণ করা।
৪। ভুল থাকলে তা সংশোধন করা।


Post your comment









1 comment on “ICT

Submit comment

Allowed HTML tags: <a href="http://google.com">google</a> <strong>bold</strong> <em>emphasized</em> <code>code</code> <blockquote>
quote
</blockquote>

twenty − seven =